ID#13 HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
“আমায় নহে গো ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান। বনের পাখিরে কে চিনে রাখে, গান হলে অবসান। চাঁদেরে কে চায়—জোছনা সবাই যাচে। গীত শেষে বীণা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে।”
ক) ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
খ) ‘চারিদিকে বাঁকা জল’—এর মাধ্যমে কবি কী বলতে চেয়েছেন?
গ) ‘সোনার তরী’ কবিতার ধানের সাথে উদ্দীপকের গীতের তুলনা করো।
ঘ) “উদ্দীপকের শেষ চরণ দুটি যেন ‘সোনার তরী’ কবিতার জীবনদর্শনের প্রতিচ্ছবি”—‘সোনার তরী’ কবিতার আলোকে মূল্যায়ন করো।
ব্যাখ্যা
(ক) ‘সোনার তরী’ কবিতাটি কোন ছন্দে রচিত?
‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। এর মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৮+৫।
(খ) ‘চারিদিকে বাঁকা জল’—এর মাধ্যমে কবি কী বলতে চেয়েছেন?
‘চারিদিকে বাঁকা জল’ বলতে কবি অনন্ত মহাকালের হিংস্র ও সংহারক রূপকে বুঝিয়েছেন। বর্ষার খরস্রোতা নদীর বাঁকা জল যেমন দ্বীপসদৃশ ধানক্ষেতটিকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছে, তেমনি মহাকালও মানুষের জীবনকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। এই জলরাশি মূলত মানুষের পার্থিব অস্তিত্বের সীমাবদ্ধতা এবং অনিবার্য বিনাশের প্রতীক, যা সৃষ্টির টিকে থাকার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
(গ) ‘সোনার তরী’ কবিতার ধানের সাথে উদ্দীপকের গীতের তুলনা করো।
‘সোনার তরী’ কবিতার ‘ধান’ এবং উদ্দীপকের ‘গীত’ উভয়ই শিল্পীর সৃষ্টিকর্ম বা মহৎ কর্মের প্রতীক হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ।
কবিতায় কৃষক সারাবছর পরিশ্রম করে যে সোনার ধান ফলিয়েছে, তা তার আজীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। মহাকালরূপ তরী সেই ধান বহন করে নিয়ে যায়, কিন্তু কৃষককে ঠাঁই দেয় না। একইভাবে, উদ্দীপকের কবি বলতে চেয়েছেন মানুষ তাকে নয়, বরং তার গান বা সৃষ্টিকে ভালোবাসে। কবিতার ‘ধান’ যেমন কৃষকের ব্যক্তি-অস্তিত্বের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়ে তরীতে স্থান করে নেয়, উদ্দীপকের ‘গীত’ বা গানও শিল্পীর মৃত্যুর পর টিকে থাকে। উভয় ক্ষেত্রেই স্রষ্টার চেয়ে তার সৃষ্টি বা কর্মের অক্ষয় স্থায়িত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
(ঘ) “উদ্দীপকের শেষ চরণ দুটি যেন ‘সোনার তরী’ কবিতার জীবনদর্শনের প্রতিচ্ছবি”—‘সোনার তরী’ কবিতার আলোকে মূল্যায়ন করো।
মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকের শেষ দুই চরণ এবং ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল জীবনদর্শন—উভয়ই সৃষ্টির অবিনশ্বরতা এবং স্রষ্টার নশ্বরতাকে তুলে ধরে।
উদ্দীপকের চরণে বলা হয়েছে, চাঁদের চেয়ে লোকে জ্যোৎস্নাকে বেশি চায় এবং গান শেষ হলে বীণা ধুলোয় পড়ে থাকে। অর্থাৎ, জগত কেবল কর্ম বা ফলটুকুই গ্রহণ করে, আধার বা কারিগরকে বিস্মৃতিতে তলিয়ে দেয়। ‘সোনার তরী’ কবিতার অন্তিম পরিনতিতেও আমরা দেখি, মহাকালের তরী কৃষকের সমস্ত সোনার ধান তুলে নিলেও শূন্য নদীর তীরে কৃষককে একা ফেলে রেখে যায়। মহাকাল কেবল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কিন্তু রক্ত-মাংসের মানুষকে স্থান দেয় না।
কবিতার এই নিষ্ঠুর বাস্তবতাই উদ্দীপকের ‘বীণা ধূলি মাঝে পড়ে থাকা’র দর্শনের সাথে মিলে যায়। মহাবিশ্বের এই অমোঘ নিয়মই হলো—ব্যক্তি মানুষ মরণশীল, কিন্তু তার মহৎ সৃষ্টি বা কর্ম কালজয়ী। স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে নৌকায় তুলে দিয়ে নিজে মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে যান। এই নিঃসঙ্গতা ও শূন্যতার হাহাকারই উদ্দীপক এবং ‘সোনার তরী’ কবিতাকে একই দর্শনের প্রতিচ্ছবিতে রূপান্তর করেছে।
‘সোনার তরী’ কবিতাটি মাত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত। এর মূল পর্বের মাত্রা সংখ্যা ৮+৫।
(খ) ‘চারিদিকে বাঁকা জল’—এর মাধ্যমে কবি কী বলতে চেয়েছেন?
‘চারিদিকে বাঁকা জল’ বলতে কবি অনন্ত মহাকালের হিংস্র ও সংহারক রূপকে বুঝিয়েছেন। বর্ষার খরস্রোতা নদীর বাঁকা জল যেমন দ্বীপসদৃশ ধানক্ষেতটিকে গ্রাস করতে উদ্যত হয়েছে, তেমনি মহাকালও মানুষের জীবনকে চারদিক থেকে ঘিরে রেখেছে। এই জলরাশি মূলত মানুষের পার্থিব অস্তিত্বের সীমাবদ্ধতা এবং অনিবার্য বিনাশের প্রতীক, যা সৃষ্টির টিকে থাকার পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।
(গ) ‘সোনার তরী’ কবিতার ধানের সাথে উদ্দীপকের গীতের তুলনা করো।
‘সোনার তরী’ কবিতার ‘ধান’ এবং উদ্দীপকের ‘গীত’ উভয়ই শিল্পীর সৃষ্টিকর্ম বা মহৎ কর্মের প্রতীক হিসেবে সাদৃশ্যপূর্ণ।
কবিতায় কৃষক সারাবছর পরিশ্রম করে যে সোনার ধান ফলিয়েছে, তা তার আজীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। মহাকালরূপ তরী সেই ধান বহন করে নিয়ে যায়, কিন্তু কৃষককে ঠাঁই দেয় না। একইভাবে, উদ্দীপকের কবি বলতে চেয়েছেন মানুষ তাকে নয়, বরং তার গান বা সৃষ্টিকে ভালোবাসে। কবিতার ‘ধান’ যেমন কৃষকের ব্যক্তি-অস্তিত্বের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়ে তরীতে স্থান করে নেয়, উদ্দীপকের ‘গীত’ বা গানও শিল্পীর মৃত্যুর পর টিকে থাকে। উভয় ক্ষেত্রেই স্রষ্টার চেয়ে তার সৃষ্টি বা কর্মের অক্ষয় স্থায়িত্বকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।
(ঘ) “উদ্দীপকের শেষ চরণ দুটি যেন ‘সোনার তরী’ কবিতার জীবনদর্শনের প্রতিচ্ছবি”—‘সোনার তরী’ কবিতার আলোকে মূল্যায়ন করো।
মন্তব্যটি যথার্থ। উদ্দীপকের শেষ দুই চরণ এবং ‘সোনার তরী’ কবিতার মূল জীবনদর্শন—উভয়ই সৃষ্টির অবিনশ্বরতা এবং স্রষ্টার নশ্বরতাকে তুলে ধরে।
উদ্দীপকের চরণে বলা হয়েছে, চাঁদের চেয়ে লোকে জ্যোৎস্নাকে বেশি চায় এবং গান শেষ হলে বীণা ধুলোয় পড়ে থাকে। অর্থাৎ, জগত কেবল কর্ম বা ফলটুকুই গ্রহণ করে, আধার বা কারিগরকে বিস্মৃতিতে তলিয়ে দেয়। ‘সোনার তরী’ কবিতার অন্তিম পরিনতিতেও আমরা দেখি, মহাকালের তরী কৃষকের সমস্ত সোনার ধান তুলে নিলেও শূন্য নদীর তীরে কৃষককে একা ফেলে রেখে যায়। মহাকাল কেবল মানুষের কর্মকে গ্রহণ করে, কিন্তু রক্ত-মাংসের মানুষকে স্থান দেয় না।
কবিতার এই নিষ্ঠুর বাস্তবতাই উদ্দীপকের ‘বীণা ধূলি মাঝে পড়ে থাকা’র দর্শনের সাথে মিলে যায়। মহাবিশ্বের এই অমোঘ নিয়মই হলো—ব্যক্তি মানুষ মরণশীল, কিন্তু তার মহৎ সৃষ্টি বা কর্ম কালজয়ী। স্রষ্টা তার সৃষ্টিকে নৌকায় তুলে দিয়ে নিজে মহাকালের গর্ভে বিলীন হয়ে যান। এই নিঃসঙ্গতা ও শূন্যতার হাহাকারই উদ্দীপক এবং ‘সোনার তরী’ কবিতাকে একই দর্শনের প্রতিচ্ছবিতে রূপান্তর করেছে।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | Bangla 1st paper |
| Chapter | 14 |
| Board | Dhaka |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!