ID#14 HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
সুকান্ত ভট্টাচার্য একজন তেজস্বী কবি। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ধারণ করেন। তাঁর কবিতায় আছে মানুষের মুক্তির বার্তা এবং স্বকীয়তা ও স্বাধীনতার স্বাদ। তাঁর দ্রোহচেতনা কবিতার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজে।
ক) ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়?
খ) কবি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ) উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন বক্তব্যটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
ঘ) উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ উন্মোচন করো।
ব্যাখ্যা
(ক) ‘অগ্নিবীণা’ কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়?
‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
(খ) কবি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ যতক্ষণ না বন্ধ হবে এবং উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল যতক্ষণ আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হবে, ততক্ষণ কবি বিদ্রোহ চালিয়ে যাবেন। দীর্ঘকাল ধরে শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে কবি শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তবে এই ক্লান্তি পরাজয়ের নয়, বরং বিরামহীন সংগ্রামের এক মানবিক প্রকাশ। অত্যাচারীর বিনাশ না হওয়া পর্যন্ত কবির এই বিদ্রোহী সত্তা শান্ত হবে না বলেই তিনি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন।
(গ) উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন বক্তব্যটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শোষণের বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নিজের বিদ্রোহী সত্তাকে প্রকাশ করেছেন। তিনি নিজেকে বীর হিসেবে ঘোষণা করে সকল জরা ও শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার ডাক দিয়েছেন। উদ্দীপকের সুকান্ত ভট্টাচার্যও একইভাবে ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে লেখনী ধারণ করেছিলেন এবং তার কবিতায় মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার স্বাদ ছিল। উদ্দীপকের এই দ্রোহচেতনা ও স্বাধীনতার অন্বেষণ নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সেই মহান বক্তব্যেরই প্রতিফলন, যেখানে কবি পরাধীনতার নাগপাশ ছিঁড়ে আত্মশক্তির জাগরণ ঘটাতে চেয়েছেন।
(ঘ) উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ উন্মোচন করো।
উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ হলো—অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম এবং মানবমুক্তির অদম্য বাসনা।
বিদ্রোহী সত্তা মূলত একাধারে সৃজনশীল ও ধ্বংসাত্মক। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল পুরাতন ও পচা-গলা সমাজব্যবস্থাকে ভেঙে নতুন করে গড়ার শপথ নিয়েছেন। তার বিদ্রোহ কেবল রাজনৈতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তা ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং অমানবিকতার বিরুদ্ধে। উদ্দীপকের সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখনীতেও সেই একই তেজস্বী বিদ্রোহী রূপ প্রকাশ পেয়েছে, যা শাসকের রক্তচক্ষুকে তোয়াক্কা না করে মানুষের মুক্তির গান গায়।
প্রকৃত বিদ্রোহী সত্তা কখনো নিজের স্বকীয়তাকে বিসর্জন দেয় না। উদ্দীপকে যেমন স্বাধীনতার স্বাদের কথা বলা হয়েছে, কবিতাতেও কবি ‘আমি চির-উন্নত শির’ বলে নিজের স্বকীয়তার জয়গান গেয়েছেন। বিদ্রোহী সত্তা উৎপীড়িতের ব্যথায় ব্যথিত হয় এবং সেই ব্যথা দূর করতে রুদ্র রূপে আবির্ভূত হয়। এটি কেবল ধ্বংসের তণ্ডবনৃত্য নয়, বরং এটি একটি নতুন সুন্দর ও সাম্যবাদী পৃথিবী গড়ার প্রাথমিক ধাপ।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক ও কবিতার বিদ্রোহী সত্তা অভিন্ন। যা মূলত আত্মমর্যাদাবোধ, নির্ভীকতা এবং মানবতাবাদের এক সমন্বিত রূপ, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সর্বপ্রকার দাসত্ব থেকে মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা।
‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থ ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
(খ) কবি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।
অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ যতক্ষণ না বন্ধ হবে এবং উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল যতক্ষণ আকাশে-বাতাসে ধ্বনিত হবে, ততক্ষণ কবি বিদ্রোহ চালিয়ে যাবেন। দীর্ঘকাল ধরে শোষণ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে করতে কবি শারীরিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। তবে এই ক্লান্তি পরাজয়ের নয়, বরং বিরামহীন সংগ্রামের এক মানবিক প্রকাশ। অত্যাচারীর বিনাশ না হওয়া পর্যন্ত কবির এই বিদ্রোহী সত্তা শান্ত হবে না বলেই তিনি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন।
(গ) উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন বক্তব্যটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার শোষণের বিরুদ্ধে দ্রোহ এবং পরাধীনতার গ্লানি থেকে মুক্তির আকাঙ্ক্ষা ফুটে উঠেছে।
‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনের অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে নিজের বিদ্রোহী সত্তাকে প্রকাশ করেছেন। তিনি নিজেকে বীর হিসেবে ঘোষণা করে সকল জরা ও শৃঙ্খল ভেঙে ফেলার ডাক দিয়েছেন। উদ্দীপকের সুকান্ত ভট্টাচার্যও একইভাবে ব্রিটিশ শাসকদের বিরুদ্ধে লেখনী ধারণ করেছিলেন এবং তার কবিতায় মানুষের মুক্তি ও স্বাধীনতার স্বাদ ছিল। উদ্দীপকের এই দ্রোহচেতনা ও স্বাধীনতার অন্বেষণ নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সেই মহান বক্তব্যেরই প্রতিফলন, যেখানে কবি পরাধীনতার নাগপাশ ছিঁড়ে আত্মশক্তির জাগরণ ঘটাতে চেয়েছেন।
(ঘ) উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ উন্মোচন করো।
উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ হলো—অন্যায় ও শোষণের বিরুদ্ধে আপসহীন সংগ্রাম এবং মানবমুক্তির অদম্য বাসনা।
বিদ্রোহী সত্তা মূলত একাধারে সৃজনশীল ও ধ্বংসাত্মক। ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় নজরুল পুরাতন ও পচা-গলা সমাজব্যবস্থাকে ভেঙে নতুন করে গড়ার শপথ নিয়েছেন। তার বিদ্রোহ কেবল রাজনৈতিক পরাধীনতার বিরুদ্ধে ছিল না, বরং তা ছিল গোঁড়ামি, কুসংস্কার এবং অমানবিকতার বিরুদ্ধে। উদ্দীপকের সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখনীতেও সেই একই তেজস্বী বিদ্রোহী রূপ প্রকাশ পেয়েছে, যা শাসকের রক্তচক্ষুকে তোয়াক্কা না করে মানুষের মুক্তির গান গায়।
প্রকৃত বিদ্রোহী সত্তা কখনো নিজের স্বকীয়তাকে বিসর্জন দেয় না। উদ্দীপকে যেমন স্বাধীনতার স্বাদের কথা বলা হয়েছে, কবিতাতেও কবি ‘আমি চির-উন্নত শির’ বলে নিজের স্বকীয়তার জয়গান গেয়েছেন। বিদ্রোহী সত্তা উৎপীড়িতের ব্যথায় ব্যথিত হয় এবং সেই ব্যথা দূর করতে রুদ্র রূপে আবির্ভূত হয়। এটি কেবল ধ্বংসের তণ্ডবনৃত্য নয়, বরং এটি একটি নতুন সুন্দর ও সাম্যবাদী পৃথিবী গড়ার প্রাথমিক ধাপ।
পরিশেষে বলা যায়, উদ্দীপক ও কবিতার বিদ্রোহী সত্তা অভিন্ন। যা মূলত আত্মমর্যাদাবোধ, নির্ভীকতা এবং মানবতাবাদের এক সমন্বিত রূপ, যার চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো সর্বপ্রকার দাসত্ব থেকে মানুষের মুক্তি নিশ্চিত করা।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | Bangla 1st paper |
| Chapter | 15 |
| Board | Dhaka |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!