ID#17 HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
আসামের চা বাগানে কুলি জোগাড় করা খুবই কঠিন। দলে দলে লোক কালাজ্বরে মরে। মজুর খাটতে সেখানে কোনো লোক যেতে চায় না। সেই সমস্যা নিরসনে এবং কমিশন পাওয়ার লোভে সুন্দরলাল সাঁওতাল পরগণার অশিক্ষিত, অসহায় ও কুসংস্কারাচ্ছন্ন মানুষদের শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে কুলির কাজ করতে বাধ্য করায়।
ক) সাত ছেলের বাপের নাম কী?
খ) “দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা।”—উক্তিটি কার? কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
গ) উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের কীসের সাদৃশ্য রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
ঘ) “উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগণার মানুষগুলো যেন মহব্বত নগরের গ্রামবাসীর প্রতিনিধি”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
ব্যাখ্যা
(ক) সাত ছেলের বাপের নাম কী?
সাত ছেলের বাপের নাম সোলেমান।
(খ) “দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা।”—উক্তিটি কার? কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের। মজিদ যখন তাহের ও কাদেরের বাবার (বুড়ো) সাথে তার ছেলেদের বিবাদের মিমাংসা করতে গিয়ে বুড়োর মুখে তার নিজের জীবনের অসহায়ত্বের করুণ কাহিনী শোনে, তখন মজিদ কিছুটা দার্শনিক ঢঙে জগতের রহস্যময়তা ও মানুষের বিচিত্র ভাগ্য বোঝাতে এই উক্তিটি করে।
(গ) উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের কীসের সাদৃশ্য রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের ধর্মীয় ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে স্বার্থসিদ্ধির দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
উপন্যাসের মজিদ মহব্বতপুর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার হিসেবে ঘোষণা করে এবং গ্রামবাসীকে পীরের অভিশাপ ও খোদার নাফরমানির ভয় দেখিয়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে। উদ্দীপকের সুন্দরলালও একইভাবে শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে অসহায় মানুষদের চা বাগানে কাজ করতে বাধ্য করে। মজিদ এবং সুন্দরলাল উভয়ই সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের 'দৈববাণী' এবং উপন্যাসের 'পীরের স্বপ্নদেশ' বা 'মাজারের শক্তি'—উভয়ই হলো ধূর্ত ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার মাত্র।
(ঘ) “উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগণার মানুষগুলো যেন মহব্বত নগরের গ্রামবাসীর প্রতিনিধি”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ উভয় স্থানের মানুষই চরম অশিক্ষা, অন্ধবিশ্বাস এবং ধর্মীয় কুসংস্কারে নিমজ্জিত।
মহব্বতপুর গ্রামের মানুষ সহজ-সরল ও ধর্মপ্রাণ হলেও তারা ছিল মূলত অশিক্ষিত। তারা নিজের বিবেক দিয়ে বিচার না করে মজিদের প্রতিটি কথাকে ঐশ্বরিক সত্য বলে গ্রহণ করত। মজিদ যখন মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় কিংবা শস্যহীনতার জন্য তাদের ঈমানকে দায়ী করে, তখন তারা ভয়ে তটস্থ থাকে। মূলত জ্ঞানের অভাব তাদের বিচারবুদ্ধিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল বলেই মজিদ সেখানে নিজের শাসন কায়েম করতে পেরেছে।
উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগণার মানুষগুলোও একইভাবে সুন্দরলালের শিং বোঙ্গার ভয়কে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কুলির কাজ করতে যায়। মহব্বতপুরের গ্রামবাসী যেমন মাজারের ভয়ে তটস্থ থাকে, এরাও তেমনি দৈববাণীর ভয়ে নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ করে। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এক শ্রেণির চতুর মানুষ সাধারণ মানুষের এই অসহায়ত্ব ও অন্ধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছে।
পরিশেষে বলা যায়, অশিক্ষা ও কুসংস্কারের কারণে মানুষ যেভাবে অন্যের শিকারে পরিণত হয় এবং ভয়কে কেন্দ্র করে চালিত হয়, সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বিচারে উদ্দীপকের মানুষগুলো নিঃসন্দেহে মহব্বতপুরের গ্রামবাসীর সার্থক প্রতিনিধি।
সাত ছেলের বাপের নাম সোলেমান।
(খ) “দুনিয়াটা বড় বিচিত্র জায়গা।”—উক্তিটি কার? কোন প্রসঙ্গে বলেছে?
উক্তিটি 'লালসালু' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র মজিদের। মজিদ যখন তাহের ও কাদেরের বাবার (বুড়ো) সাথে তার ছেলেদের বিবাদের মিমাংসা করতে গিয়ে বুড়োর মুখে তার নিজের জীবনের অসহায়ত্বের করুণ কাহিনী শোনে, তখন মজিদ কিছুটা দার্শনিক ঢঙে জগতের রহস্যময়তা ও মানুষের বিচিত্র ভাগ্য বোঝাতে এই উক্তিটি করে।
(গ) উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের কীসের সাদৃশ্য রয়েছে? বুঝিয়ে লেখো।
উদ্দীপকের দৈববাণীর সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের ধর্মীয় ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং মানুষের সরল বিশ্বাসকে পুঁজি করে স্বার্থসিদ্ধির দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ।
উপন্যাসের মজিদ মহব্বতপুর গ্রামে এসে একটি পরিত্যক্ত কবরকে মোদাচ্ছের পীরের মাজার হিসেবে ঘোষণা করে এবং গ্রামবাসীকে পীরের অভিশাপ ও খোদার নাফরমানির ভয় দেখিয়ে নিজের প্রভাব বিস্তার করে। উদ্দীপকের সুন্দরলালও একইভাবে শিং বোঙ্গার দৈববাণীর ভয় দেখিয়ে অসহায় মানুষদের চা বাগানে কাজ করতে বাধ্য করে। মজিদ এবং সুন্দরলাল উভয়ই সাধারণ মানুষের অশিক্ষা ও কুসংস্কারকে কাজে লাগিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করে। উদ্দীপকের 'দৈববাণী' এবং উপন্যাসের 'পীরের স্বপ্নদেশ' বা 'মাজারের শক্তি'—উভয়ই হলো ধূর্ত ব্যক্তির স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার মাত্র।
(ঘ) “উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগণার মানুষগুলো যেন মহব্বত নগরের গ্রামবাসীর প্রতিনিধি”—মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
মন্তব্যটি যথার্থ, কারণ উভয় স্থানের মানুষই চরম অশিক্ষা, অন্ধবিশ্বাস এবং ধর্মীয় কুসংস্কারে নিমজ্জিত।
মহব্বতপুর গ্রামের মানুষ সহজ-সরল ও ধর্মপ্রাণ হলেও তারা ছিল মূলত অশিক্ষিত। তারা নিজের বিবেক দিয়ে বিচার না করে মজিদের প্রতিটি কথাকে ঐশ্বরিক সত্য বলে গ্রহণ করত। মজিদ যখন মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় কিংবা শস্যহীনতার জন্য তাদের ঈমানকে দায়ী করে, তখন তারা ভয়ে তটস্থ থাকে। মূলত জ্ঞানের অভাব তাদের বিচারবুদ্ধিকে পঙ্গু করে দিয়েছিল বলেই মজিদ সেখানে নিজের শাসন কায়েম করতে পেরেছে।
উদ্দীপকের সাঁওতাল পরগণার মানুষগুলোও একইভাবে সুন্দরলালের শিং বোঙ্গার ভয়কে অন্ধভাবে বিশ্বাস করে এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কুলির কাজ করতে যায়। মহব্বতপুরের গ্রামবাসী যেমন মাজারের ভয়ে তটস্থ থাকে, এরাও তেমনি দৈববাণীর ভয়ে নিজেদের জীবনকে তুচ্ছ করে। উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, এক শ্রেণির চতুর মানুষ সাধারণ মানুষের এই অসহায়ত্ব ও অন্ধ বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করছে।
পরিশেষে বলা যায়, অশিক্ষা ও কুসংস্কারের কারণে মানুষ যেভাবে অন্যের শিকারে পরিণত হয় এবং ভয়কে কেন্দ্র করে চালিত হয়, সেই চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বিচারে উদ্দীপকের মানুষগুলো নিঃসন্দেহে মহব্বতপুরের গ্রামবাসীর সার্থক প্রতিনিধি।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | Bangla 1st paper |
| Chapter | 25 |
| Board | Dhaka |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC Bangla 1st CQ (Dhaka 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!