ID#198 HSC ICT CQ (Sylhet 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
ড. প্রিয়া HMPV ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণা করে ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ তৈরির কাজ করছেন। তাঁর ল্যাবে যাতায়াতের জন্য ব্যবহৃত গাড়িটি হালকা ওজনের ও কম জ্বালানি চাহিদা সম্পন্ন।
ক) মেশিন লার্নিং কী?
খ) "প্রতিরক্ষা ও আইসিটি একে অপরের পরিপূরক" — ব্যাখ্যা কর।
গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত গবেষণার প্রযুক্তিটি বর্ণনা কর।
ঘ) উদ্দীপকের গাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা কর।
ব্যাখ্যা
ক) মেশিন লার্নিং কী?
মেশিন লার্নিং হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখা, যা সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ছাড়াই পূর্বের অভিজ্ঞ বা ডেটা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিখতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তোলে।
খ) "প্রতিরক্ষা ও আইসিটি একে অপরের পরিপূরক" — ব্যাখ্যা কর।
আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আইসিটির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। শত্রুদেশের অবস্থান নির্ণয়ে রাডার, মিসাইল গাইডেন্স সিস্টেম, ড্রোন এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইসিটি ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনে অনেক উন্নত প্রযুক্তি (যেমন: ইন্টারনেট) উদ্ভাবিত হয়েছে যা পরবর্তীতে আইসিটির উন্নয়ন ঘটিয়েছে। অর্থাৎ, আইসিটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা আইসিটির দিগন্ত প্রসারিত করে।
গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত গবেষণার প্রযুক্তিটি বর্ণনা কর।
উদ্দীপকে ড. প্রিয়া HMPV ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণা করছেন, যা বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) প্রযুক্তিকে নির্দেশ করে।
বর্ণনা:
১. বায়োইনফরমেটিক্স হলো জীববিদ্যার এমন একটি শাখা যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যান ব্যবহার করে জৈবিক তথ্য (যেমন: DNA, RNA বা প্রোটিন সিকোয়েন্স) বিশ্লেষণ করা হয়।
২. এটি ভাইরাসের গঠন এবং জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ভ্যাক্সিন বা ওষুধ আবিষ্কারে সাহায্য করে।
৩. বিশাল পরিমাণ জৈবিক ডেটা সংরক্ষণের জন্য এতে ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়, যা ড. প্রিয়া তৈরি করছেন।
ঘ) উদ্দীপকের গাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ
উদ্দীপকের গাড়িটি হালকা ওজনের ও কম জ্বালানি সম্পন্ন, যা ন্যানোটেকনোলজি (Nanotechnology) ব্যবহারের ফল। নিচে এর ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা করা হলো:
১. ইলেকট্রনিক্স: ন্যানো ট্রানজিস্টর ব্যবহারের মাধ্যমে মেমরি ডিভাইসের আকার ছোট করা এবং তথ্য ধারণ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
২. বস্ত্রশিল্প: কাপড়ে ন্যানো কণা ব্যবহারের ফলে তা ময়লা ও পানি নিরোধক এবং অগ্নিনিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৩. চিকিৎসা বিজ্ঞান: ন্যানো-রোবট ব্যবহার করে শরীরের নির্দিষ্ট কোষে (যেমন: ক্যান্সার কোষ) সরাসরি ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।
৪. জ্বালানি ও পরিবেশ: ন্যানো-কোটিং যুক্ত সোলার প্যানেল সূর্যের আলো থেকে অধিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে এবং কম জ্বালানি সম্পন্ন হালকা ওজনের গাড়ি নির্মাণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৫. খাদ্য শিল্প: খাদ্যের মান বজায় রাখা এবং দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখার জন্য ন্যানো-প্যাকেজিং ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশ্লেষণ:
ন্যানোটেকনোলজির মাধ্যমে পদার্থের আণবিক স্তরে পরিবর্তন ঘটিয়ে অত্যন্ত মজবুত কিন্তু হালকা ওজনের সংকর ধাতু তৈরি করা যায়। এর ফলে যাতায়াত ব্যবস্থায় জ্বালানি সাশ্রয় হয় এবং টেকসই কাঠামো নির্মাণ সম্ভব হয়।
মেশিন লার্নিং হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখা, যা সিস্টেমকে কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রামিং ছাড়াই পূর্বের অভিজ্ঞ বা ডেটা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিখতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করে তোলে।
খ) "প্রতিরক্ষা ও আইসিটি একে অপরের পরিপূরক" — ব্যাখ্যা কর।
আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় আইসিটির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। শত্রুদেশের অবস্থান নির্ণয়ে রাডার, মিসাইল গাইডেন্স সিস্টেম, ড্রোন এবং সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইসিটি ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রয়োজনে অনেক উন্নত প্রযুক্তি (যেমন: ইন্টারনেট) উদ্ভাবিত হয়েছে যা পরবর্তীতে আইসিটির উন্নয়ন ঘটিয়েছে। অর্থাৎ, আইসিটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করে এবং প্রতিরক্ষা গবেষণা আইসিটির দিগন্ত প্রসারিত করে।
গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত গবেষণার প্রযুক্তিটি বর্ণনা কর।
উদ্দীপকে ড. প্রিয়া HMPV ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স নিয়ে গবেষণা করছেন, যা বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics) প্রযুক্তিকে নির্দেশ করে।
বর্ণনা:
১. বায়োইনফরমেটিক্স হলো জীববিদ্যার এমন একটি শাখা যেখানে তথ্যপ্রযুক্তি, কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং পরিসংখ্যান ব্যবহার করে জৈবিক তথ্য (যেমন: DNA, RNA বা প্রোটিন সিকোয়েন্স) বিশ্লেষণ করা হয়।
২. এটি ভাইরাসের গঠন এবং জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ভ্যাক্সিন বা ওষুধ আবিষ্কারে সাহায্য করে।
৩. বিশাল পরিমাণ জৈবিক ডেটা সংরক্ষণের জন্য এতে ইলেকট্রনিক ডেটাবেজ ব্যবহৃত হয়, যা ড. প্রিয়া তৈরি করছেন।
ঘ) উদ্দীপকের গাড়িতে ব্যবহৃত প্রযুক্তির ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ
উদ্দীপকের গাড়িটি হালকা ওজনের ও কম জ্বালানি সম্পন্ন, যা ন্যানোটেকনোলজি (Nanotechnology) ব্যবহারের ফল। নিচে এর ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ বর্ণনা করা হলো:
১. ইলেকট্রনিক্স: ন্যানো ট্রানজিস্টর ব্যবহারের মাধ্যমে মেমরি ডিভাইসের আকার ছোট করা এবং তথ্য ধারণ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে।
২. বস্ত্রশিল্প: কাপড়ে ন্যানো কণা ব্যবহারের ফলে তা ময়লা ও পানি নিরোধক এবং অগ্নিনিরোধক হিসেবে কাজ করে।
৩. চিকিৎসা বিজ্ঞান: ন্যানো-রোবট ব্যবহার করে শরীরের নির্দিষ্ট কোষে (যেমন: ক্যান্সার কোষ) সরাসরি ওষুধ প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে।
৪. জ্বালানি ও পরিবেশ: ন্যানো-কোটিং যুক্ত সোলার প্যানেল সূর্যের আলো থেকে অধিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে এবং কম জ্বালানি সম্পন্ন হালকা ওজনের গাড়ি নির্মাণে এটি ব্যবহৃত হয়।
৫. খাদ্য শিল্প: খাদ্যের মান বজায় রাখা এবং দীর্ঘক্ষণ সতেজ রাখার জন্য ন্যানো-প্যাকেজিং ব্যবহৃত হচ্ছে।
বিশ্লেষণ:
ন্যানোটেকনোলজির মাধ্যমে পদার্থের আণবিক স্তরে পরিবর্তন ঘটিয়ে অত্যন্ত মজবুত কিন্তু হালকা ওজনের সংকর ধাতু তৈরি করা যায়। এর ফলে যাতায়াত ব্যবস্থায় জ্বালানি সাশ্রয় হয় এবং টেকসই কাঠামো নির্মাণ সম্ভব হয়।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | ICT |
| Chapter | 1 |
| Board | Sylhet |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC ICT CQ (Sylhet 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!