ID#240 HSC ICT CQ (Rajshahi 2025)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
জালাল সাহেব মূল অফিসের ২০টি কম্পিউটারকে EMI প্রভাবমুক্ত মাধ্যম ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক গঠন করেন। তিনি ২০ কি. মি. দূরে শাখা অফিসের ১০টি কম্পিউটারকে IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডের প্রযুক্তির মাধ্যমে নেটওয়ার্কভুক্ত করেন। আবার উভয় অফিসের নেটওয়ার্ককে যুক্ত করতে তিনি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের প্রযুক্তি ব্যবহার করেন।
ক) রিপিটার কী?
খ) প্রেরক ও প্রাপক হিসেবে একই ডিভাইস ব্যবহৃত হয়- ব্যাখ্যা কর।
গ) মূল অফিসে ব্যবহৃত মাধ্যমটির গঠন বর্ণনা কর।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত স্ট্যান্ডার্ড দুইটির দ্বারা নির্দেশিত প্রযুক্তিদ্বয়ের তুলনামূলক আলোচনা কর।
ব্যাখ্যা
ক) রিপিটার কী?
রিপিটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা দুর্বল হয়ে পড়া সিগন্যালকে গ্রহণ করে এবং সেটিকে পুনরায় শক্তিশালী বা অ্যাম্পলিফাই করে গন্তব্যে পাঠায়। এটি মূলত সিগন্যালকে অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ব্যবহৃত হয়।
খ) প্রেরক ও প্রাপক হিসেবে একই ডিভাইস ব্যবহৃত হয়— ব্যাখ্যা কর।
ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মোডেম (Modem) এবং মোবাইল ফোন একই সাথে প্রেরক ও প্রাপক হিসেবে কাজ করতে পারে। মোডেম ডেটা পাঠানোর সময় ডিজিটাল সিগন্যালকে এনালগে রূপান্তর করে (মডুলেশন) প্রেরক হিসেবে কাজ করে এবং ডেটা গ্রহণের সময় এনালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (ডিমডুলেশন) প্রাপক হিসেবে কাজ করে। এই দ্বিমুখী ক্ষমতার কারণে এদেরকে ট্রান্সসিভারও বলা হয়।
গ) মূল অফিসে ব্যবহৃত মাধ্যমটির গঠন বর্ণনা কর
উদ্দীপকে জালাল সাহেব মূল অফিসে ২০টি কম্পিউটারকে EMI (Electromagnetic Interference) প্রভাবমুক্ত মাধ্যম ব্যবহার করে যুক্ত করেছেন। এই মাধ্যমটি হলো ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের গঠন:
১. কোর (Core): এটি ক্যাবলের একদম ভেতরের অংশ যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এর মাধ্যমেই আলোক সিগন্যাল পরিবাহিত হয়।
২. ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরকে ঘিরে থাকা কাঁচের আবরণ যা আলোকে প্রতিফলিত করে পুনরায় কোরের ভেতরে পাঠিয়ে দেয় (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন)।
৩. বাফার বা জ্যাকেট (Coating/Jacket): এটি বাইরের প্লাস্টিক আবরণ যা ক্যাবলকে ঘর্ষণ, আর্দ্রতা এবং বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে।
এটি সম্পূর্ণ ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এতে তড়িৎচৌম্বকীয় ব্যতিচার বা EMI এর কোনো প্রভাব থাকে না।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত স্ট্যান্ডার্ড দুইটির তুলনামূলক আলোচনা
উদ্দীপকের IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডটি Wi-Fi এবং IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি WiMAX প্রযুক্তিকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনা দেওয়া হলো:
বিশ্লেষণ:
জালাল সাহেব শাখা অফিসের অভ্যন্তরে ডিভাইসের সংযোগের জন্য Wi-Fi ব্যবহার করেছেন কারণ এটি ইনডোর ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী। কিন্তু মূল অফিস ও শাখা অফিসের মধ্যে ২০ কিমি দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য তিনি WiMAX ব্যবহার করেছেন, কারণ WiMAX দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানে সক্ষম। সুতরাং, প্রযুক্তির প্রয়োজনে উভয় স্ট্যান্ডার্ডই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
রিপিটার হলো এমন একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা দুর্বল হয়ে পড়া সিগন্যালকে গ্রহণ করে এবং সেটিকে পুনরায় শক্তিশালী বা অ্যাম্পলিফাই করে গন্তব্যে পাঠায়। এটি মূলত সিগন্যালকে অনেক দূর পর্যন্ত পৌঁছে দিতে ব্যবহৃত হয়।
খ) প্রেরক ও প্রাপক হিসেবে একই ডিভাইস ব্যবহৃত হয়— ব্যাখ্যা কর।
ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থায় মোডেম (Modem) এবং মোবাইল ফোন একই সাথে প্রেরক ও প্রাপক হিসেবে কাজ করতে পারে। মোডেম ডেটা পাঠানোর সময় ডিজিটাল সিগন্যালকে এনালগে রূপান্তর করে (মডুলেশন) প্রেরক হিসেবে কাজ করে এবং ডেটা গ্রহণের সময় এনালগ সিগন্যালকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (ডিমডুলেশন) প্রাপক হিসেবে কাজ করে। এই দ্বিমুখী ক্ষমতার কারণে এদেরকে ট্রান্সসিভারও বলা হয়।
গ) মূল অফিসে ব্যবহৃত মাধ্যমটির গঠন বর্ণনা কর
উদ্দীপকে জালাল সাহেব মূল অফিসে ২০টি কম্পিউটারকে EMI (Electromagnetic Interference) প্রভাবমুক্ত মাধ্যম ব্যবহার করে যুক্ত করেছেন। এই মাধ্যমটি হলো ফাইবার অপটিক ক্যাবল।
ফাইবার অপটিক ক্যাবলের গঠন:
১. কোর (Core): এটি ক্যাবলের একদম ভেতরের অংশ যা কাঁচ বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি। এর মাধ্যমেই আলোক সিগন্যাল পরিবাহিত হয়।
২. ক্ল্যাডিং (Cladding): কোরকে ঘিরে থাকা কাঁচের আবরণ যা আলোকে প্রতিফলিত করে পুনরায় কোরের ভেতরে পাঠিয়ে দেয় (পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন)।
৩. বাফার বা জ্যাকেট (Coating/Jacket): এটি বাইরের প্লাস্টিক আবরণ যা ক্যাবলকে ঘর্ষণ, আর্দ্রতা এবং বাহ্যিক আঘাত থেকে রক্ষা করে।
এটি সম্পূর্ণ ডাই-ইলেকট্রিক পদার্থ দিয়ে তৈরি হওয়ায় এতে তড়িৎচৌম্বকীয় ব্যতিচার বা EMI এর কোনো প্রভাব থাকে না।
ঘ) উদ্দীপকে উল্লিখিত স্ট্যান্ডার্ড দুইটির তুলনামূলক আলোচনা
উদ্দীপকের IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ডটি Wi-Fi এবং IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডটি WiMAX প্রযুক্তিকে নির্দেশ করে। নিচে এদের তুলনা দেওয়া হলো:
| বৈশিষ্ট্য | Wi-Fi (IEEE 802.11) | WiMAX (IEEE 802.16) |
|---|---|---|
| কভারেজ এরিয়া | সীমিত পরিসর (সাধারণত ১০০ মিটার বা একটি ভবন)। | বিশাল এলাকা (১০ থেকে ৫০ কিমি পর্যন্ত)। |
| নেটওয়ার্কের ধরন | এটি মূলত WLAN (Wireless LAN) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। | এটি মূলত WMAN (Wireless MAN) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। |
| ডেটা ট্রান্সমিশন রেট | গতি ৫৪ Mbps থেকে শুরু করে কয়েক Gbps হতে পারে। | গতি সাধারণত ৭০ Mbps থেকে ১ Gbps পর্যন্ত হতে পারে। |
| ব্যয় ও স্থাপনা | খরচ অনেক কম এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আদর্শ। | স্থাপন খরচ অত্যন্ত বেশি এবং এটি আইএসপি পর্যায়ে ব্যবহৃত হয়। |
জালাল সাহেব শাখা অফিসের অভ্যন্তরে ডিভাইসের সংযোগের জন্য Wi-Fi ব্যবহার করেছেন কারণ এটি ইনডোর ব্যবহারের জন্য সাশ্রয়ী। কিন্তু মূল অফিস ও শাখা অফিসের মধ্যে ২০ কিমি দূরত্বে ডেটা আদান-প্রদান করার জন্য তিনি WiMAX ব্যবহার করেছেন, কারণ WiMAX দীর্ঘ দূরত্বে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা প্রদানে সক্ষম। সুতরাং, প্রযুক্তির প্রয়োজনে উভয় স্ট্যান্ডার্ডই একে অপরের পরিপূরক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | ICT |
| Chapter | 2 |
| Board | Rajshahi |
| Year | 2025 |
Discussion — HSC ICT CQ (Rajshahi 2025)
No discussion yet. Be the first to post a comment!