ID#3 HSC ICT CQ (Sylhet 2024)
MS Word Writing Guide
১.
প্রথমে উপরের COPY বাটনে ক্লিক করুন।
২.
MS Word-এ গিয়ে Ctrl + V দিয়ে পেস্ট করুন।
৩.
সমীকরণটি সিলেক্ট করে কিবোর্ডে Alt + = চাপুন।
Shortcut: Alt and equal key
৪.
এরপর ডানদিকের ড্রপডাউন থেকে Professional সিলেক্ট করলেই গণিত সুন্দর দেখাবে।
মেডিকেল কলেজের শিক্ষক ডা. রিফাত তার শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম ধকল সহিষ্ণু, রক্তপাতহীন চিকিৎসা পদ্ধতির অভিজ্ঞতা লাভের উদ্দেশ্যে একটি সিমুলেটেড পরিবেশে অপারেশন প্রক্রিয়া শেখালেন।
ক) রোবটিক্স কী?
খ) খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ব্যাখ্যা কর।
গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত চিকিৎসা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
ঘ) প্রাত্যহিক জীবনে উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশের প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
ব্যাখ্যা
(ক) রোবটিক্স কী?
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, কাজ এবং প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে রোবটিক্স বলে।
(খ) খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ব্যাখ্যা কর।
খাদ্যের গুণাগুণ ও মান দীর্ঘস্থায়ী করতে বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হচ্ছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে শস্যের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং পচন রোধ করা হয়। এছাড়া ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে স্মার্ট প্যাকেজিং তৈরি করা হচ্ছে, যা খাদ্যের সতেজতা এবং পুষ্টিমান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
(গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত চিকিৎসা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রক্তপাতহীন ও সিমুলেটেড পরিবেশে শেখানো চিকিৎসা পদ্ধতিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality)।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের মতো মনে হয়। উদ্দীপকে ডা. রিফাত তার শিক্ষার্থীদের অপারেশনের অভিজ্ঞতা লাভের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এখানে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে এবং ডেটা গ্লাভস ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি কৃত্রিম পরিবেশে রোগীর দেহচ্ছেদ বা অপারেশন প্রক্রিয়া শেখে। এতে কোনো বাস্তব প্রাণের ক্ষতি হয় না এবং শিক্ষার্থীরা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। ন্যূনতম ধকল ও রক্তপাতহীন এই সিমুলেশন পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার শেখা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর।
(ঘ) প্রাত্যহিক জীবনে উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশের প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'সিমুলেটেড পরিবেশ' বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রাত্যহিক জীবনে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
ইতিবাচক প্রভাব:
১. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: জটিল অস্ত্রোপচার, যুদ্ধবিমান চালানো বা গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ বাস্তব জীবনের ঝুঁকি ছাড়াই নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
২. ড্রাইভিং সিমুলেশন: রাস্তায় নামার আগেই ভার্চুয়ালি গাড়ি চালানোর সঠিক নিয়ম শেখা যায়, যা দুর্ঘটনা হ্রাস করে।
৩. বিনোদন: থ্রি-ডি সিনেমা বা গেমিংয়ে বাস্তব স্বাদ পেতে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়।
৪. শিল্প ও স্থাপত্য: একটি ভবন তৈরির আগেই ভার্চুয়ালি তার নকশা ও অন্দরমহল পরিদর্শন করা সম্ভব হচ্ছে।
নেতিবাচক প্রভাব:
১. স্বাস্থ্য ঝুঁকি: দীর্ঘ সময় ব্যবহারে চোখের সমস্যা, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
২. অলসতা: মানুষ বাস্তব জগৎ ছেড়ে ভার্চুয়াল জগতে বেশি সময় কাটানোয় সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হতে পারে।
৩. ব্যয়বহুলতা: এই প্রযুক্তির সরঞ্জামাদি অত্যন্ত দামি হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাগালে পাওয়া কঠিন।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আমাদের প্রাত্যহিক কাজকে সহজ, নিরাপদ এবং আধুনিক করে তুলছে। যথাযথ সাবধানতার সাথে এটি ব্যবহার করলে মানবজীবনে এর প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও কল্যাণকর।
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন, কাজ এবং প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা ও গবেষণা করা হয় তাকে রোবটিক্স বলে।
(খ) খাদ্যের গুণাগুণ রক্ষার্থে ব্যবহৃত প্রযুক্তি ব্যাখ্যা কর।
খাদ্যের গুণাগুণ ও মান দীর্ঘস্থায়ী করতে বর্তমানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহৃত হচ্ছে। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে শস্যের জিনগত পরিবর্তন ঘটিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো হয় এবং পচন রোধ করা হয়। এছাড়া ন্যানোটেকনোলজি ব্যবহারের মাধ্যমে স্মার্ট প্যাকেজিং তৈরি করা হচ্ছে, যা খাদ্যের সতেজতা এবং পুষ্টিমান বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
(গ) উদ্দীপকে উল্লিখিত চিকিৎসা পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত রক্তপাতহীন ও সিমুলেটেড পরিবেশে শেখানো চিকিৎসা পদ্ধতিটি হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality)।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত একটি পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের মতো মনে হয়। উদ্দীপকে ডা. রিফাত তার শিক্ষার্থীদের অপারেশনের অভিজ্ঞতা লাভের জন্য এই প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন। এখানে হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে এবং ডেটা গ্লাভস ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একটি কৃত্রিম পরিবেশে রোগীর দেহচ্ছেদ বা অপারেশন প্রক্রিয়া শেখে। এতে কোনো বাস্তব প্রাণের ক্ষতি হয় না এবং শিক্ষার্থীরা বারবার অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষ হয়ে উঠতে পারে। ন্যূনতম ধকল ও রক্তপাতহীন এই সিমুলেশন পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার শেখা আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে অত্যন্ত কার্যকর।
(ঘ) প্রাত্যহিক জীবনে উদ্দীপকে উল্লিখিত পরিবেশের প্রভাব বিশ্লেষণ কর।
উদ্দীপকে উল্লিখিত 'সিমুলেটেড পরিবেশ' বা ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রাত্যহিক জীবনে ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের প্রভাব রয়েছে। নিচে তা বিশ্লেষণ করা হলো:
ইতিবাচক প্রভাব:
১. শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: জটিল অস্ত্রোপচার, যুদ্ধবিমান চালানো বা গাড়ি চালনার প্রশিক্ষণ বাস্তব জীবনের ঝুঁকি ছাড়াই নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
২. ড্রাইভিং সিমুলেশন: রাস্তায় নামার আগেই ভার্চুয়ালি গাড়ি চালানোর সঠিক নিয়ম শেখা যায়, যা দুর্ঘটনা হ্রাস করে।
৩. বিনোদন: থ্রি-ডি সিনেমা বা গেমিংয়ে বাস্তব স্বাদ পেতে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়।
৪. শিল্প ও স্থাপত্য: একটি ভবন তৈরির আগেই ভার্চুয়ালি তার নকশা ও অন্দরমহল পরিদর্শন করা সম্ভব হচ্ছে।
নেতিবাচক প্রভাব:
১. স্বাস্থ্য ঝুঁকি: দীর্ঘ সময় ব্যবহারে চোখের সমস্যা, বমি বমি ভাব বা মাথা ঘোরার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
২. অলসতা: মানুষ বাস্তব জগৎ ছেড়ে ভার্চুয়াল জগতে বেশি সময় কাটানোয় সামাজিক বিচ্ছিন্নতা তৈরি হতে পারে।
৩. ব্যয়বহুলতা: এই প্রযুক্তির সরঞ্জামাদি অত্যন্ত দামি হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাগালে পাওয়া কঠিন।
পরিশেষে বলা যায়, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি আমাদের প্রাত্যহিক কাজকে সহজ, নিরাপদ এবং আধুনিক করে তুলছে। যথাযথ সাবধানতার সাথে এটি ব্যবহার করলে মানবজীবনে এর প্রভাব অত্যন্ত সুদূরপ্রসারী ও কল্যাণকর।
Resource Details
| Exam | HSC |
| Subject | ICT |
| Chapter | 1 |
| Board | Sylhet |
| Year | 2024 |
Discussion — HSC ICT CQ (Sylhet 2024)
No discussion yet. Be the first to post a comment!