মৌলিক ধাতুর পরে ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে যখন অন্যকে নিয়োজিত করার অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে প্রযোজক ধাতু বলে; যা অনেক ক্ষেত্রে কর্মবাচ্যের ধাতু হিসেবেও পরিচিত। এখানে ‘হারা’ ধাতু থেকে ‘হারায়’ রূপটি গঠিত হয়েছে।
১. সংযোগমূলক ধাতু গঠিত হয় বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে কর, দে, হ ইত্যাদি মৌলিক ধাতু যুক্ত হয়ে।
২. নাম ধাতু গঠিত হয় বিশেষ্য বা ধন্যাত্মক অব্যয়ের পর ‘আ’ প্রত্যয় যোগ করে (যেমন: ঘুমা)।
৩. ভাব বাচ্যের প্রয়োগে কর্তার চেয়ে ক্রিয়ার অর্থই প্রধান হয়, যা এই বাক্যের সাথে পুরোপুরি মেলে না।
অতিরিক্ত তথ্য: কর্মবাচ্যের ধাতু এবং প্রযোজক ধাতুর রূপ একই হলেও প্রয়োগে ভিন্নতা থাকে।