বৈষ্ণব পদাবলির তত্ত্বে লৌকিক শৃঙ্গার রসকেই আধ্যাত্মিক পর্যায়ভুক্ত করে মধুর রস হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এটি পাঁচটি রসের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।
১. ভাবরস বা লীলারস বৈষ্ণব সাহিত্যের অংশ হলেও শৃঙ্গার রসের নামান্তর মধুর রস।
২. মধুর রস মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেম ও ভক্তির চূড়ান্ত মিলন বা বিরহের বহিঃপ্রকাশ।
৩. শান্ত, দাস্য, সখ্য এবং বাৎসল্য হলো বৈষ্ণব সাধনার অন্য চারটি প্রধান রস।
অতিরিক্ত তথ্য: মধুর রসকে ‘ভক্তিরসরাট’ বা রসের রাজা বলা হয়ে থাকে।