শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি এর সংলাপধর্মী রচনার কারণে মূলত একটি নাটগীতি বা নাট্যগীতি হিসেবে স্বীকৃত।
১. কাব্যটিতে কৃষ্ণ, রাধা এবং বড়ায়ি—এই তিন চরিত্রের কথোপকথনের মাধ্যমে কাহিনী এগিয়ে চলে।
২. এর মধ্যে ধামালি বা পদাবলির বৈশিষ্ট্য থাকলেও কাঠামোগত দিক থেকে এটি গীতি-নাট্যের নিকটবর্তী।
৩. এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম আদি নিদর্শন যা বড়ু চণ্ডীদাস রচনা করেন।
অতিরিক্ত তথ্য: ১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এটি বাঁকুড়ার একটি গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কার করেন।