সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান বৈসাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয় ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে। সাধু ভাষায় এগুলোর রূপ দীর্ঘ এবং চলিত ভাষায় সংক্ষিপ্ত।
১. বিশেষ্য ও বিশেষণের পার্থক্য চলিত ও সাধু রীতিতে খুব একটা প্রকট নয়।
২. যেমন: সাধু ‘করিতেছে’ চলিত রীতিতে ‘করছে’ এবং সাধু ‘তাহারা’ চলিত রীতিতে ‘তারা’ হয়।
৩. চলিত ভাষা মানুষের মুখের ভাষা থেকে বিবর্তিত এবং অনেক বেশি গতিশীল।
অতিরিক্ত তথ্য: ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকার মাধ্যমে চলিত রীতির প্রচলন শুরু হয়।