বাগযন্ত্রের বা নিঃশ্বাসের একক প্রচেষ্টায় যতটুকু ধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বা সিলেবল (Syllable) বলে। যেমন: ‘মা-নু-ষ’ শব্দে দুটি অক্ষর আছে।
১. বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক, যা উচ্চারণের প্রচেষ্টার সাথে সরাসরি যুক্ত নয়।
২. মৌলিক স্বরধ্বনি হলো সেই ধ্বনিগুলো যা বিশ্লেষণ করা যায় না (যেমন: অ, আ)।
৩. একটি শব্দে এক বা একাধিক অক্ষর থাকতে পারে যা উচ্চারণের ওপর নির্ভর করে।
অতিরিক্ত তথ্য: অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি থাকলে তাকে ‘মুক্তাক্ষর’ এবং ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে ‘বদ্ধাক্ষর’ বলা হয়।