চর্যাপদের খণ্ডিত বা বিলুপ্ত পদগুলো তিব্বতি অনুবাদ থেকে পুনরায় প্রাচীন বাংলায় রূপান্তরের কৃতিত্ব ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের। তিনি তাঁর ওডিবিএল (ODBL) গ্রন্থে চর্যাপদের ভাষার ঐতিহাসিক গুরুত্ব প্রমাণ করেন।
১. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদ আবিষ্কার করেছিলেন।
২. রাজেন্দ্রলাল মিত্র নেপালে পুঁথি অনুসন্ধানের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছিলেন।
৩. সুকুমার সেন চর্যাপদের ভাষাতাত্ত্বিক ও ঐতিহাসিক আলোচনার অন্যতম গবেষক।
অতিরিক্ত তথ্য: চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শনের সংকলন।