ক্রিয়াপদের বিভক্তিহীন মূল অংশকে ধাতু বলা হয়। যেমন: ‘করছি’ ক্রিয়াপদের মূল অংশ হলো ‘কর্’ এবং ‘ছি’ হলো বিভক্তি।
১. কর্ম হলো ক্রিয়াকে ‘কী’ বা ‘কাকে’ দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়।
২. প্রত্যয় হলো শব্দ বা ধাতুর পরে যুক্ত হওয়া বর্ণসমষ্টি যা নতুন শব্দ গঠন করে।
৩. বিভক্তি যুক্ত হয়ে ধাতুকে ক্রিয়াপদে পরিণত করে এবং বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করে।
অতিরিক্ত তথ্য: ধাতু তিন প্রকার— মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং সংযোগমূলক ধাতু।