উচ্চারণের সময় মুখবিবর বা ঠোঁট সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত হলে তাকে বিবৃত স্বরধ্বনি বলে। বাংলা স্বরবর্ণের মধ্যে ‘আ’ হলো একটি আদর্শ বিবৃত স্বরধ্বনি।
১. জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনিগুলোকে সংবৃত, অর্ধ-সংবৃত এবং বিবৃত—এই ভাগে ভাগ করা যায়।
২. সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণে ঠোঁট বা মুখ সবচেয়ে কম খোলে (যেমন: ই, উ)।
৩. ‘আ’ উচ্চারণের সময় চোয়াল সবচেয়ে নিচে নেমে যায় এবং মুখগহ্বর বড় হয়।
অতিরিক্ত তথ্য: ধ্বনিবিজ্ঞান অনুযায়ী বিবৃত স্বরধ্বনিকে ‘Open Vowel’ বলা হয়।