মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার সুবিধার্থে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে সেক্টর কমান্ডারদের সম্মেলনে বাংলাদেশকে মোট ১১টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রতিটি সেক্টরের অধীনে নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা এবং নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী ছিল।
১. ৯, ১৫ বা ১৭ সংখ্যাগুলো বিভ্রান্তিকর এবং এর কোনো ঐতিহাসিক ভিত্তি নেই।
২. এছাড়াও পুরো বাংলাদেশকে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল ক্ষুদ্র গেরিলা আক্রমণের জন্য।
৩. ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল ব্যতিক্রমী কারণ এর কোনো স্থায়ী সেক্টর কমান্ডার ছিল না (নৌ-কমান্ডো)।
অতিরিক্ত তথ্য: এম. এ. জি. ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি।