যেকোনো ঔপন্যাসিকের লেখার নিজস্ব ধরণ বা স্বকীয়তাকে style বলা হয়। একজন লেখকের পরিচিতি নির্ভর করে তাঁর স্টাইল বা রচনারীতির ওপর।
১. প্রমথ চৌধুরীর যেমন নিজস্ব বীরবলি স্টাইল ছিল, তেমনি ইংরেজি লেখকদেরও ভিন্ন ভিন্ন লিটারারি স্টাইল থাকে।
২. ট্র্যাডিশন বা হিস্ট্রি কেবল প্রেক্ষাপট তৈরি করে, কিন্তু লেখার মান নির্ধারণ করে স্টাইল।
৩. সঠিক শব্দ চয়ন এবং বাক্যের গঠন মিলে একজন ঔপন্যাসিকের লিখনশৈলী পূর্ণতা পায়।
অতিরিক্ত তথ্য: স্টাইল হলো লেখকের ব্যক্তিত্বের ভাষাগত প্রকাশ।