ফাইজারের মতো mRNA ভ্যাকসিনগুলো কোষে একটি জেনেটিক কোড (mRNA) পাঠায়। এই কোড অনুযায়ী কোষ নিজেই ভাইরাসের ‘স্পাইক প্রোটিন’ তৈরি করে, যা দেখে শরীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (অ্যান্টিবডি) গড়ে তোলে।
১. দুর্বল ভাইরাসের রূপ ব্যবহার করা হয় প্রথাগত টিকার ক্ষেত্রে (যেমন বিসিজি বা পোলিও)।
২. সিনোভ্যাকের মতো টিকাগুলোতে মৃত ভাইরাস বা ভাইরাসের প্রোটিন অংশ সরাসরি ব্যবহার করা হয়।
৩. অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকায় একটি অকেজো অ্যাডেনোভাইরাসকে বাহক (Viral vector) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
অতিরিক্ত তথ্য: mRNA টিকার সুবিধা হলো এটি দ্রুত ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা যায়। ক্যাটালিন কারিকো ও ড্রু ওয়াইসম্যান এই প্রযুক্তির ওপর গবেষণার জন্য ২০২৩ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পান।
[Image of mRNA vaccine mechanism in human cell]