যেকোনো দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রথম ধাপ হলো ঝুঁকি (Risk) চিহ্নিতকরণ। আগে থেকে ঝুঁকির উৎস এবং ভয়াবহতা না জানলে পরবর্তী কোনো প্রস্তুতি বা প্রশমণ কাজ সফলভাবে করা সম্ভব নয়।
১. দুর্যোগ প্রস্তুতি বা প্রশমণ হলো ঝুঁকি চিহ্নিত করার পরের পদক্ষেপ যা ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা কমায়।
২. পুনর্বাসন হলো দুর্যোগ পরবর্তী ধাপ যা সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে।
৩. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের প্রতিটি ধাপ একে অপরের ওপর নির্ভরশীল হলেও সূচনাবিন্দু হলো আইডেন্টিফিকেশন।
অতিরিক্ত তথ্য: আধুনিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ‘প্রিভেনশন’ বা প্রতিরোধের চেয়ে ‘রেজিলিয়েন্স’ তৈরির ওপর জোর দেওয়া হয়।