দুর্যোগের সময় স্থানীয় মানুষরাই প্রথম সাড়া দেয়, তাই কমিউনিটি পর্যায়ে ব্যবস্থা গ্রহণ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সবচেয়ে ফলপ্রসূ হয়। স্থানীয় জ্ঞান ও জনশক্তি ব্যবহার করে ক্ষয়ক্ষতি দ্রুত কমানো সম্ভব।
১. জাতীয় বা আঞ্চলিক পর্যায়ের সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে সময় বেশি লাগে এবং মাঠ পর্যায়ের চিত্র অনেক সময় ভিন্ন হয়।
২. উপজেলা পর্যায়ের প্রশাসনিক কাঠামো থাকলেও কমিউনিটির সম্পৃক্ততা ছাড়া উদ্ধার কাজ ধীর হয়ে পড়ে।
৩. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার আধুনিক দর্শনে ‘বটম-আপ’ অর্থাৎ নিচ থেকে উপরের দিকে পরিকল্পনা সাজানো হয়।
অতিরিক্ত তথ্য: বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রসমূহ মূলত কমিউনিটি ভিত্তিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার সফল উদাহরণ।