প্রাথমিক শিক্ষা হলো একটি শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন ও শিক্ষার ভিত্তি। এই ভিত্তি মজবুত না হলে উচ্চ শিক্ষার সুফল পাওয়া অসম্ভব। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাকে আরও যুগোপযোগী করতে নিম্নোক্ত পদক্ষেপগুলো নেওয়া যেতে পারে:
১. শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত কমানো: শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ভিড় কমিয়ে পাঠদানকে অংশগ্রহণমূলক করা।
২. খেলার ছলে শিখন: মুখস্থ বিদ্যার পরিবর্তে আনন্দদায়ক ও খেলাধুলা নির্ভর শিখন পদ্ধতি চালু করা।
৩. স্মার্ট স্কুলিং: প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে আইসিটি উপকরণ ও ডিজিটাল কন্টেন্টের ব্যবহার নিশ্চিত করা।
৪. শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি: সবচেয়ে মেধাবীদের প্রাথমিক শিক্ষায় আকৃষ্ট করতে বেতন ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি করা।
৫. মিড-ডে মিল: ঝরে পড়া রোধে সকল বিদ্যালয়ে পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা।
প্রাথমিক শিক্ষায় বিনিয়োগই হলো দেশের সবচেয়ে লাভজনক বিনিয়োগ। এই স্তরে আমূল পরিবর্তন আনলে পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় তার ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।