শিক্ষাক্রমের সফল বাস্তবায়নের জন্য কেবল বছর শেষের পরীক্ষা (Summative Assessment) যথেষ্ট নয়। আমার মতে নিম্নোক্ত পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করা প্রয়োজন:
১. ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment): শ্রেণিকক্ষে প্রতিদিনের পারফরম্যান্স, উপস্থিতি এবং আচরণের ওপর ভিত্তি করে নম্বর দেওয়া।
২. যোগ্যতাভিত্তিক মূল্যায়ন: শিক্ষার্থী কোনো বিষয় কতটা বুঝলো বা বাস্তবে প্রয়োগ করতে পারছে কি না, তা যাচাই করা।
৩. প্রজেক্ট ও অ্যাসাইনমেন্ট: দলগত কাজ এবং হাতে-কলমে প্রজেক্ট তৈরির মাধ্যমে সৃজনশীলতা যাচাই।
৪. আত্ম-মূল্যায়ন ও সতীর্থ মূল্যায়ন: শিক্ষার্থীদের নিজেদের ভুল নিজেরা খুঁজে বের করার সুযোগ দেওয়া।
এই মিশ্র পদ্ধতিটি শিক্ষার্থীর মেধার সঠিক প্রতিফলন ঘটাতে সাহায্য করে এবং কোচিং নির্ভরতা কমায়।