HOME প্রযুক্তির প্রভাব ও উন্নয়ন
উদ্দীপক: কৃষিখাতে প্রযুক্তির ব্যাপক প্রয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশে সারা বছরই মৌসুমি ফল উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে।
উক্ত প্রযুক্তির প্রভাবে—
i. অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে
ii. জীব বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হবে
iii. দেশীয় প্রজাতি বিলুপ্ত হবে
নিচের কোনটি সঠিক?
Barisal • 2025

ব্যাখ্যা (Explanation)

জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা জিএমও (GMO) প্রযুক্তির ইতিবাচক ও নেতিবাচক উভয় ধরনের সুদূরপ্রসারী প্রভাব রয়েছে:

১. অর্থনৈতিক উন্নয়ন (i): সারা বছর ফসল ও ফল উৎপাদনের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি পায় এবং আমদানির ওপর নির্ভরতা কমে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখে।
২. জীব বৈচিত্র্যের সৃষ্টি (ii): ল্যাবরেটরিতে ডিএনএ পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন উদ্ভিদ বা প্রাণীর উদ্ভব ঘটে, যা প্রকৃতিতে নতুন ধরনের জীব বৈচিত্র্যের সূচনা করে।
৩. দেশীয় প্রজাতি বিলুপ্ত হওয়া (iii): এটি এই প্রযুক্তির একটি নেতিবাচক দিক। যখন কৃষকরা বেশি লাভের আশায় শুধুমাত্র হাইব্রিড বা জিএমও জাতের চাষ করেন, তখন ধীরে ধীরে আমাদের দেশীয় বা আদি প্রজাতিগুলো চাষাবাদ না হওয়ায় বিলুপ্তির ঝুঁকিতে পড়ে।



অতিরিক্ত তথ্য:
জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে উৎপাদিত ফসলকে Transgenic Crop বলা হয়। এটি একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে, অন্যদিকে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে সচেতন থাকার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করে।