বিজ্ঞানী সত্যেন্দ্র নাথ বসু কোয়ান্টাম সংখ্যাতত্ত্বে যে অবদান রেখেছেন তার সম্মানে মৌলিক কণাদের এক বিশাল শ্রেণির নাম রাখা হয়েছে ‘বোসন’ (Boson)। হিগস বোসন কণাটি এই শ্রেণিরই অন্তর্ভুক্ত।
১. সত্যেন্দ্র নাথ বসুর ‘বসু-আইনস্টাইন পরিসংখ্যান’ আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
২. হিগস বোসনকে প্রায়ই ‘ঈশ্বর কণা’ বলা হয় যা বস্তুর ভরের জন্য দায়ী।
৩. জগদীশ চন্দ্র বসু মূলত বেতার তরঙ্গ ও উদ্ভিদের প্রাণ নিয়ে কাজ করেছিলেন।
অতিরিক্ত তথ্য: সত্যেন্দ্র নাথ বসু এবং আলবার্ট আইনস্টাইন যৌথভাবে পদার্থবিজ্ঞানের একটি বিশেষ অবস্থার ধারণা দিয়েছিলেন।